Tuesday, 2 May 2017

Watch and learn

watch, Enjoy and learn Amazing videos & Best magic talents in the world trick ever.
<iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/YqKnB_oYFlM" frameborder="0" allowfullscreen></iframe>

Saturday, 1 April 2017

Insurance Future of Bangladesh

বিস্মিল্লাহির রহমানির রহীম

বাংলাদেশে জীবন বীমার উন্নয়নে ও নিয়ন্ত্রণে বর্তমান মহাজোট তথা আওয়ামী লীগ সরকারের সংস্কার সমুহ:

১. বৃটিশ শাসনামলে প্রণীত Insurance Act::-১৯৩৮ রহিত করে ‘বীমা আইন, ২০১০” প্রণয়ন করা
     হয়েছে।
২. একই সাথে বীমা শিল্পের নিয়মতান্ত্রীক উন্নয়ন ও বীমা গ্রাহকের স্বার্থ সমুন্নত রাখার লক্ষে এবং বীমা
    আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বীমা আইন, ২০১০ এর মাধ্যমে বীমা অধিদপ্তর
    বিলুপ্ত করে বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।
৩. উক্ত আইনের অধীনে ২০১১ সালে ২৭ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শুরু করে।
৪. বীমাকে পরিকল্পিত শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার সাথে সাথে সামাজিক নিরাপত্তা সৃষ্টির কৌশল হিসেবে
    ব্যবহারের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় বীমা নীতি, ২০১৪ প্রণয়ন করেছে।
৫. বীমা শিল্পে প্রশিক্ষিত জনবল যোগানের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বীমা বিষয়ক কোর্স চালুকে উতসাহিত
    করা  কয়েছে।
৬. বীমা কর্মীদের জন্য ৭২ ঘন্টা প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
৭. বীমা শিল্পকে যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বীমা খাতের
    তদারকি ও উন্নয়নের যাত্রাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে আইডিআরএ International Association
   of Insurance Supervisors(IAIS) এর সদস্যভূক্ত হয়েছে।
৮. আইডিআরএ সার্ক দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগীতা ও অভিজ্ঞতা বিনিমযের উদ্দেশ্যে ০৬ ও ০৭
    এপ্রিল ২০১৩ তারিখে প্রথম সার্ক ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরস্ কনফারেন্স ২০১৩ সফলভাবে আয়োজন করে।
৯. বীমা খাতের উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে আইডিআরএ এবং এ 
     উদ্যোগে  সরকার ও বিশ্বব্যাংক সহযোগীতা করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বীমা শিল্পের উপর নিবিড়
     নজরদারি করার  সম্ভব হবে, তেমনি এ শিল্পের উন্নতি ও উতকর্ষ সাধিত হবে।
১০. বীমা সম্পর্কে জনসচেতনা সৃষ্টি করা, বীমার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনগনকে অবহিত করা,
      বীমা সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারনা দূর করা ও বীমার ইতিবাচক  দিকগুলি তুলে ধরাসহ বীমার
     উপর মানুষের আস্থা সৃষ্টি করা এবং দেশের তরুন ছাত্র সমাজের মধ্যে বীমা শিল্পে নিজের ক্যারিয়ার 
     গঠন করার মাধ্যমে নিজের সমাজের সাফল্য বয়ে আনার লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের
      আয়োজনে বীমা মেলা ২৩,২৪ও২৫ মার্চ ২০১৬ আয়োজন করা হয়েছে।


বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোম্পানী ও গ্রাহকের প্রতি নির্দেশনা: 

পলিসি খোলার ক্ষেত্রে বীমাকরীর করণীয়সমুহ:--------------------------

১.বীমাকারী বিভিন্ন পলিসি সংক্রান্ত প্রসপেক্টাস জারি করবেন এবং বীমাগ্রাহককে সরবরাহ করবেন। প্রসপেক্টাস এ বর্ণিত শর্তাদি ও অন্যান্য বিয়ষ বীমাগ্রহীতাকে অবশ্যই অবহিত করবে।  

২. বীমা পলিসি জারি করার পূর্বে বীমা কোম্পানি বীমা গ্রাহকের নিকট থেকে বীমাকৃত বিষয়ের বিস্তারিত তথ্য ও বর্ণনা সম্বলিত প্রস্তাব পত্র গ্রহণ করবে।                                    

৩. প্রস্তাব পত্র পুঙ্খানো-পুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে বীমা গ্রহীতার প্রস্তাবিত ঝুঁকি গ্রহণের জন্য নির্ধারিত প্রিমিয়াম দাবি করে বিল প্রদান করবে।                                              

৪. বীমাকারী অবশ্যই বীমা গ্রহীতাকে গৃহিত অর্থ/প্রিমিয়ামের রশিদ প্রদান করবে।                 

৫. বীমাপত্র জারি করার সময় কোম্পানি লক্ষ্য করবে প্রস্তাবিত ঝুঁকিসমুহ যথাযথভাবে বীমাপত্রে আবরিত করা হয়েছে কি-না এবং এ ঝুঁকি গ্রহণের শর্তাবলী স্পষ্ট করে বীমাপত্রে উল্লেখ করতে হবে।   

পলিসি খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহকের করণীয়সমুহ:--------------------------

১. বীমা গ্রহীতা প্রসপেক্টাস ভাল করে অবশ্যই পড়বেন এবং জেনে নেবেন।
২. বীমা গ্রহীতা কোন বীমা পলিসি গ্রহনের ক্ষেত্রে বীমাকৃত বিষয়ের সম্পূর্ণ তথ্যাদি বীমা কোম্পানিকে অবহিত করবে এবং কি-কি ঝুঁকি গ্রহণ করতে চায় তা উল্লেখ করতে হবে।
৩. বীমাপত্র খোলার সময় বীমাকৃত বিষয়ে কোন তথ্য গোপন করা যাবে না। পরবর্তীতে ধরা পড়লে বীমা কোম্পানি কর্তৃক দাবি পরিশোধে আইনগত সমস্যা হতে পারে।
৪. বীমাগ্রহীতা অবশ্যই বীমাকারীর নিকট হতে প্রদত্ত অর্থ/প্রিমিয়ামের রশিদ সংগ্রহ করবেন।
৫. বীমা কোম্পনি প্রদত্ত পলিসিতে প্রার্থিত ঝুঁকিসমুহ যথাযথভাবে বীমাপত্রে আবরিত করা হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হতে হবে এবং বীমা পলিসিতে বর্ণিত শর্তাবলী পড়ে সন্তুষ্ট হতে হবে।


বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বীমা মেলা অয়োজনের উদ্দেশ্য হচ্ছে:-
১. বীমা সম্পর্কে জনসচেতনা সৃষ্টি করা।
২. বীমা প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনগনকে অবহিত করা।
৩. বীমা সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারনা দূর করা ও বীমার ইতিবাচক  দিকগুলি তুলে ধরা।
৪. বীমার উপর মানুষের আস্থা সৃষ্টি করা।
৫. বীমা শিল্পের সাথে জড়িতদের মধ্যে সৌহার্দ সৃষ্টি করা।


অর্থনৈতিক নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য চাই বীমা
বীমা সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ/অভিযোগ প্রেরণের ঠিকানা:-
এস.বি.সি টওিয়ার(৯ম তলা), ৩৭/এ, দিরকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০
ফোন:৮৮০-২-৯৫৬৫৫৪৮, ৯৫৫৩৫০৩, ফ্যাক্য্র:৮৮০-২-৯৫৬৫০৫৬, ৯৫৭০৩৬০
ওয়েব সাইট: www.idra.org.bd

Wednesday, 3 February 2016

জীবন বীমা সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর



 প্র: ১.  বাংলাদেশে বীমা চুক্তিতে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ বয়স সীমা কত?
উঃ বাংলাদেশে বীমা চুক্তিতে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ বয়স সীমা ৫৫ বছর।
প্র: ২. একজন বীমা গ্রাহক যে স্থানে বীমা পলিসি গ্রহণ করেছেন, সে স্থান ব্যতিত অন্য কোথাও বীমা পলিসির প্রিমিয়াম জমা করতে পারবেন কি?
উঃ একজন বীমা গ্রাহক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যে সব স্থানে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফের প্রিমিয়াম জমা করার সুবিধা আছে তার যে কোন স্থানে প্রিমিয়াম জমা করতে পারবেন। সাধারণত দেশের বিভিন্ন বিভাগ, জেলা বা উপজেলায় কোম্পানীর বিভাগীয় অফিস, সার্ভিস সেন্টার, জোনাল অফিস অথবা কোম্পানীর মনোনীত ব্যাংকের শাখা সমূহে (যে সব ব্যাংক প্রিমিয়াম জমার সুবিধা প্রদানের জন্য যে কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে) প্রিমিয়াম জমা করতে পারবেন। এছাড়া ‘ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ’ এর নামে ইস্যুকৃত একাউন্ট পেয়ী চেক/ড্রাফট/পে-অর্ডার এর মাধ্যমেও প্রিমিয়াম জমা করা যেতে পারে। চেক/ড্রাফট/পে-অর্ডার এর অপর পিঠে গ্রাহকের নাম ও পলিসি নম্বর উল্যেখ করতে হবে।
প্র: ৩.বিদেশে অবস্থানরত গ্রাহকগণ কিভাবে প্রিমিয়াম জমা করবেন?
উঃ বিদেশে অবস্থানরত গ্রাহকগণ ‘ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ’ এর অনুকুলে ইস্যুকৃত একাউন্ট পেয়ী চেক/ব্যাংক ড্রাফট/টিটি/স্পীড ক্যাশ কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়/সার্ভিস সেন্টারে পাঠিয়ে দিতে পারেন। (চেক/ড্রাফট এর অপর পাতায় গ্রাহকের নাম ও পলিসি নম্বর উল্যেখ করতে হবে)। অথবা দেশে তার বিশ্বস্ত কোন ব্যক্তির মাধ্যমে কোম্পানী নিকটস্থ কার্যালয় বা ব্যাংকে নগদে প্রিমিয়ামের টাকা জমা করাতে পারেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে টাকা জমা করে অবশ্যই কোম্পানীর বৈধ রশিদ সংগ্রহ করবেন।

প্র: ৪.একজন গ্রাহকের যোগাযোগের ঠিকানা পরিবর্তন হলে তাকে কি করতে হবে?
উঃ একজন গ্রাহকের যোগাযোগের ঠিকানা পরিবর্তিত হলে তাকে যথাশীঘ্র কোম্পানীতে লিখিতভাবে ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে হবে। এেেত্র আবেদন পত্রে মুল প্রস্তাবপত্রের অনুরূপ স্বার করতে হবে (অর্থাৎ পলিসি গ্রহণের সময় তিনি যে স্বার করেছিলেন সেই স্বার করতে হবে)।
প্র: ৫.কোন গ্রাহক তার জীবন বীমা পলিসি অন্যের নামে পরিবর্তন করতে পারবেন কি?
উঃ যেহেতু একজন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে জীবন বীমা পলিসির মাধ্যমে তার জীবনের উপর মৃত্যু ঝুকি গ্রহণ করা হয় তাই তাঁর জীবনের উপর গৃহীত জীবন বীমা পলিসি (ঝুঁকি) অন্য কারো জীবনে স্থানান্তর করা যায় না।
প্র: ৬.একজন গ্রাহক তার পলিসির মেয়াদোত্তর/আংশিক মেয়াদোত্তর সুবিধা কিভাবে প্রাপ্ত হবেন?
উঃ কোন গ্রাহকের পলিসির অনুকূলে মেয়াদোত্তর/আংশিক মেয়াদোত্তর টাকা পরিশোধযোগ্য হলে কোম্পানীর সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রাপ্য টাকার অংক উল্যেখ করে (পলিসির অনুকূলে কোম্পানীর কোন পাওনা থাকলে তা কর্তন করে) তার নিকট এক সেট (দুইটি) নির্বাহী রশিদ প্রেরণ করে থাকে। গ্রাহক নির্বাহী রশিদে তার ব্যাংকের হিসাব বৃত্তান্ত (একাউন্ট নম্বর, ব্যাংকের নাম ও শাখা ইত্যাদি) উল্যেখ এবং যথাস্থানে প্রস্তাবপত্রের অনুরূপ স্বার করে (স্বারটি যথাযথ কর্তৃপ কর্তৃক সত্যায়িত করিয়ে নিতে হবে) কোম্পানীতে পাঠিয়ে দিবেন। নির্বাহী রশিদ পাওয়ার পর কোম্পানী গ্রাহকের অনুকূলে ‘একাউন্ট পেয়ী চেক’ ইস্যু করে গ্রাহক বরাবর পাঠিয়ে দিবে। উল্যেখ্য, গ্রাহক পলিসিটি যে নামে গ্রহণ করেছেন ব্যাংকের হিসাবও একই নামের হতে হবে।
প্র: ৭.একজন বীমা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করলে বীমা দাবী পাওয়ার জন্য কি করতে হবে?
উঃ একজন বীমা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করলে তার বীমা দাবী পাওয়ার জন্য গ্রাহকের মনোনীতককে কোম্পানীর বরাবরে লিখিত আবেদন করতে হবে। এেেত্র আবেদনপত্রে নিম্নোক্ত তথ্যগুলি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে:
ক. মৃত্যুর তারিখ, সময় ও স্থান। (প্রমাণপত্র সহ)
খ. মৃত্যুর কারণ।
প্র: ৮. একটি পলিসি ইস্যু হওয়ার পর তার মনোনীতক পরিবর্তন করা যাবে কি?
উঃ একটি পলিসি ইস্যু হওয়ার পরও পলিসিতে মনোনীতক পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে সেেেত্র অবশ্যই মনোনীত ব্যক্তির সাথে গ্রাহকের বীমাযোগ্য স্বার্থ থাকতে হবে।
প্র: ৯. কোন গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রিমিয়াম জমা না করতে পারলে তাকে কি করতে হবে?
উঃ নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রিমিয়াম জমা করতে না পারলে অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দেয়া হয়ে থাকে। এই সময়সীমার মধ্যে প্রিমিয়াম জমা করতে না পারলে পলিসি তামাদি/অনিয়মিত হয়ে পড়বে। তবে গ্রাহক বকেয়া প্রিমিয়াম এবং অবলিখন চাহিদা (যেমন: ভাল স্বাস্থ্যের ঘোষণা-ডিজিএইচ বা ডাক্তারী পরীার রিপোর্ট) জমা করে তামাদি/অনিয়মিত পলিসি পুনর্বহাল করিয়ে নিতে পারবেন।
প্র: ১০.তামাদি/অনিয়মিত পলিসি পুনর্বহাল করলে গ্রাহক কি পলিসির কোন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন?
উঃ তামাদি/অনিয়মিত পলিসি পুনর্বহাল হলে পলিসির সকল সুবিধা আগের মতোই বলবৎ থাকবে। পুনর্বহালের কারণে পলিসিতে উল্লিখিত কোন সুবিধা প্রাপ্তি থেকে গ্রাহক বঞ্চিত হবেন না।
আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ-
শেখ ফরহাদুল ইসলাম
ফুলটাইম ইন্স্যুরেন্স
+৮৮০১৯১৫২২১৩০৬
+৮৮০১৭২০১০৬১১৮