Wednesday, 6 December 2017

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০

কর্তপক্ষ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহার পক্ষে ইহা নিজের নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে।
সম্পূর্ণ আইনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন। 
প্রকাশের তারিখ- ২৪ জুন, ২০১৫

বীমা আইন ২০১০

প্রকাশের তারিখ- ২৪ জুন, ২০১৫
“অংশগ্রহণকারী পলিসি” অর্থ লাইফ ইন্সুরেন্স ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে উহার অর্থ বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট চুক্তি, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চুক্তি, গোষ্ঠি লাইফ ইন্সুরেন্স চুক্তি এবং গোষ্ঠি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত চুক্তি ব্যতীত এইরূপ চুক্তি যাহার শর্তাবলীর অধীনে বীমা পলিসি গ্রাহক লাইফ ইন্সুরেন্স সংক্রান্ত বীমাকারীর লভ্যাংশ বা উদ্বৃত্ত বিতরণে অংশগ্রহণের অধিকারী; তবে পলিসির অধীনে দেয় সুবিধা, যদি তাহা চুক্তির শর্তাবলী অনুয়ায়ী নির্ধারিত হয় এবং উহাতে বীমাকারীর ঐচ্ছিক ক্ষমতা প্রয়োগযোগ্য না হয়, তাহা হইলে উক্ত সুবিধা এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে লভ্যাংশ বা উদ্বৃত্ত বিতরণ বলিয়া গণ্য হইবে না।
সম্পূর্ণ আইনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন…

বীমা কর্মীদের মানবসেবক বললেন আইডিআরএ'র নির্বাহী পরিচালক

বীমা মানুষের দুর্দিনে পাশে দাঁড়ায়, বীমা ব্যবসা মানবসেবা। এমন মন্তব্য করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)'র নির্বাহী পরিচালক খলিল আহমদ বলেন, বীমা পেশাজীবীরা মানবসেবায় নিয়োজিত।
আজ বুধবার বরিশাল অডিটোরিয়ামে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন আইডিআএ'র এই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য গকুল চাঁদ দাস।
খলিল আহমদ বলেন, বাংলাদেশের যতো উন্নয়ন হবে, সাধারণ মানুষ বীমার প্রতি ততো আগ্রহী হয়ে উঠবে। বীমার উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন হবে না। সাধারণ মানুষের কাছে বীমার সুফল আপনাদের পৌছে দিতে হবে।
বীমা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা খণ্ডন করে তিনি বলেন, আমি বীমাকে বিশ্বাস করতে পারতাম না। আমার এক শিক্ষক আমাকে একটা পলিসি করিয়েছিল। আমি তার প্রতি আর বিশ্বাস রাখতে পারি নাই। তাই বুঝি আল্লাহ আমাকে বীমাখাতে দায়িত্ব দিয়েছে।
তিনি বলেন, এখন দেখছি বীমা কোম্পানি টাকা দেয়। এখন আরো দেখছি একটি কোম্পানি আনুষ্ঠানিকভাবে টাকা দিচ্ছে।  অন্যান্য কোম্পানিগুলোকেও আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি পরিশোধের উদ্যোগ নেয়া উচিত, মন্তব্য করেন নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই নির্বাহী পরিচালক।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট বি এম ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ৫ হাজার ১১ জন বীমা গ্রাহককে ৯ কোটি ১২ লাখ ২১ হাজার ২১১ টাকার দাবি পরিশোধ করা হয়।